Date and Time June 25, 2017 1:04 am   বাংলাদেশ সময়
For showing Bangla
bd24live.com logo
Latest News

হাবের দুর্নীতি: শুধু স্বাক্ষরের দাম পৌনে ৩ কোটি টাকা!

Fiji Visa exempted for Bangladeshi

»
April 11, 2016 at 6:29 am

এখনো অর্ধেকের বেশি খালি সরকারি হজযাত্রীর কোটা বেসরকারি কোটার অতিরিক্ত ৪৩ হাজার


Download PDF

এখনো অর্ধেকের বেশি খালি সরকারি হজযাত্রীর কোটা

বেসরকারি কোটার অতিরিক্ত ৪৩ হাজার

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এরই মধ্যে প্রায় ৪৩ হাজার হজযাত্রী কোটার অতিরিক্ত হয়ে গেলেও সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখনো কোটার অর্র্ধেকের বেশি ছয় হাজার কোটা খালি পড়ে আছে। সরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য নির্ধারিত কোটা ১০ হাজারের মধ্যে গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রাক-নিবন্ধন করেছেন মাত্র তিন হাজার ৫৮৯ জন। ডাটা এন্ট্রি হয়েছে চার হাজার ২১০ জনের।
অথচ গত ২৩ মার্চ থেকে প্রাক-নিবন্ধন শুরুর পর ২৮ মার্চের মধ্যেই বেসরকারি হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন কোটা পূর্ণ হয়ে যায়। এ সময়ের মধ্যে ৮৮ হাজার ২০৪ জনের প্রাক-নিবন্ধন করা হয়। অবশ্য পরে আগামী বছরের জন্য অগ্রাধিকার দেয়া হবে এই শর্তে প্রাক-নিবন্ধন আবার চালু করার পর গতকাল পর্যন্ত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বমোট এক লাখ ৩১ হাজার ১৭২ জনের প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে এক লাখ ৩৮ হাজার ২৫০ জনের।
গত কয়েক বছর ধরেই সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীর সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। গত বছরও সরকারি ব্যবস্থাপনার ১০ হাজার কোটার মধ্যে মোট হজযাত্রী ছিল মাত্র দুই হাজার ৭০০ জন। বাকিগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পূরণ করা হয়। এ ছাড়া সর্বশেষ প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রী কোটার অতিরিক্ত হয়ে গেলে সৌদি সরকারের বিশেষ অনুমতিতে আরো পাঁচ হাজার হজযাত্রী হাবের তত্ত্বাবধানে শেষ মুহূর্তে হজে যান।
২০১৪ সালে হজযাত্রীর কোটা ছিল ৯৮ হাজার ৭৬২ জন। এর মধ্যে এক হাজার ৬০০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় যান। বাকিরা যান বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। ২০১৩ সালে এক হাজার ৫৯১ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৫ হাজার ২৬৯ জন হজে যান।
এ বছর অনলাইনে ডাটা এন্ট্রিসহ প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রমের কারণে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার কোটা পূরণ হয়ে যাওয়ার পর সরকারি ব্যবস্থাপনার কোটাও দ্রুত পূরণ হয়ে যাবে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু গত ২৮ মার্চ বেসরকারি ব্যবস্থাপনার কোটা পূরণ হওয়ার পরও গত ১২ দিনেরও সরকারি কোটার অর্ধেকও পূরণ হয়নি। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যেতে পারছেন না এমন অনেক হজযাত্রীকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে দেখা গেছে। কিন্তু তারপরও সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেতে হজযাত্রীদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী সংগ্রহের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তৎপরতা চালায় ধর্ম মন্ত্রণালয়। এমনকি যেসব কর্মকর্তা বেশিসংখ্যক হাজী সংগ্রহ করতে পারেন তাদের গাইড হিসেবেও সৌদি আরবে পাঠানো হয়। তারপরও সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরং কয়েক বছরে কমেছে। তবে এ বছর প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় গত কয়েক বছরের তুলনায় সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী কমে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ দেখাতে পারেননি। তবে তারা বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের পাঠানোর ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে রোল মডেল হিসেবে। এই মডেলকে সামনে রেখেই বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ ব্যবস্থাপনাকে পরিচালিত করা হয়। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোনো কোনো কর্মকর্তা জানান, আসলে সরকার যে প্যাকেজমূল্য ঘোষণা করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা আরো কম টাকায় হজে যেতে পারেন। গ্রুপ লিডার ও দালালরা কম রেটের হাজী সংগ্রহ করে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে পাঠায় ফলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুরো প্যাকেজমূল্য দিয়ে হাজীরা যেতে বেশি আগ্রহী হন না। তাছাড়া গ্রুপ লিডার ও বেসরকারি এজেন্সিগুলো হজযাত্রী সংগ্রহে গ্রাম-গঞ্জে বেশি তৎপরতা চালানোর কারণে হজযাত্রীরা হজের যাওয়ার জন্য তাদেরই বেশি বেছে নেয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা ভালো করা হলেও মক্কা-মদিনায় নিজ দায়িত্বে খেতে হয়। এ কারণেও অনেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেতে চান না বলেও কেউ কেউ মনে করেন। এ ছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় গাইড হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে অনভিজ্ঞদের পাঠানো হয় এবং যাদের পাঠানো হয় তারা নিজের হজ পালন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন বেশি বলে প্রতি বছরই অভিযোগ পাওয়া যায়। গাইড হিসেবে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদেরও পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে ইতঃপূর্বে।
তবে হাবনেতাসহ বেসরকারি এজেন্সি মালিকেরা বলছেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা স্বাছন্দ্যবোধ করেন বলেই হজে যাওয়ার জন্য এজেন্সিগুলোকেই বেছে নেন। এজেন্সিগুলো প্রশিক্ষিত মোয়াল্লেমের মাধ্যমে হজযাত্রীদের সুন্দরভাবে হজ করতে সহায়তা করে থাকেন এবং হাজীদের তাদের পছন্দমতো খাবারও পরিবেশন করে থাকেন। এসব কারণে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার দিকেই দিন দিন হজযাত্রীরা ঝুঁকে পড়ছে বলেও তাদের দাবি। তাদের মতে, গ্রুপ লিডারদের মধ্যস্থতায় পর্দার আড়ালে প্যাকেজমূল্যের কমে হজযাত্রী পাঠানোর বিষয়টি সত্য। একই সাথে এটিও সত্য যে, সরকার নির্ধারিত প্যাকেজমূল্যের দ্বিগুণ তিনগুণ মূল্যের প্যাকেজেও বেসরকারি এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে হজে যাচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। – See more at:
         


বাংলাদেশ সময়: April 11, 2016 at 6:29 am

জাতীয়-এর সর্বশেষ ২৪ খবর

Line
 
Must See Places In Paris
Free track counters
Thanks Dear Visitor
Hajjsangbad.com