Date and Time June 25, 2017 4:22 pm   বাংলাদেশ সময়
For showing Bangla
bd24live.com logo
Latest News

হাবের দুর্নীতি: শুধু স্বাক্ষরের দাম পৌনে ৩ কোটি টাকা!

Fiji Visa exempted for Bangladeshi

»
April 19, 2016 at 1:25 pm

এজেন্সিগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই হজের বাকি টাকা জমা দিতে হবে সর্বশেষ সময় ৩০ মে


Download PDF

এজেন্সিগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই হজের বাকি টাকা জমা দিতে হবে

সর্বশেষ সময় ৩০ মে

১৯ এপ্রিল ২০১৬,মঙ্গলবার

মোয়াল্লেম ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত কোটার মধ্যে যেসব হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়েছে, তাদেরকে আগামী ৩০ মে’র মধ্যে সর্বনিম্ন প্যাকেজের বাকি টাকা জমা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এজেন্সিগুলোর নির্ধারিত ব্যাংকের অ্যাকাউন্টেই হজযাত্রীদের টাকা জমা দিতে হবে। এর আগে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) অ্যাকাউন্টে জমা দেয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু বেশির ভাগ এজেন্সির আপত্তির মুখে হাব ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। গত ৬ এপ্রিল হাবের জরুরি কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় হজযাত্রীদের মোয়াল্লেম ফি বাদ দিয়ে সর্বনিম্ন প্যাকেজমূল্যের টাকা হাবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আজ ১৯ এপ্রিল হাবের জরুরি সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এজেন্সিগুলোর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এ নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল হাব এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এতে বেশির ভাগ এজেন্সি হাবের অ্যাকাউন্টে প্যাকেজমূল্য জমার বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হাব আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে এবং জরুরি সাধারণ সভাও বাতিল করে। জাতীয় হজনীতি অনুসারে এজেন্সিগুলোর নিজস্ব অ্যাকাউন্টেই সর্বনিম্ন প্যাকেজের বাকি টাকা জমা দেয়ার সিদ্ধান্তই বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নেয় হাব। হাব নেতারা জানান, কোটার অতিরিক্ত ৪০ হাজার হজযাত্রী হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে হাব প্যাকেজের পুরো টাকা দেয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছিল, যাতে প্রকৃত হজযাত্রীরা হজে যেতে পারেন এবং যেসব এজেন্সি প্যাকেজমূল্যের কমে হজযাত্রী সংগ্রহ করেছে তারাও যাতে প্যাকেজমূল্য জমা দিতে বাধ্য হয়। এতে যারা জমা দিতে পারতেন না তারা বাদ পড়তেন। অন্য দিকে এজেন্সিগুলোর অ্যাকাউন্টে টাকা জমার বিষয়টি রাখা হলে সে ক্ষেত্রে ব্যাংকের সাথে যোগসাজশে অনিয়মেরও আশঙ্কা থাকে। এ দিক বিবেচনায় হাবের সেন্ট্রাল অ্যাকাউন্টে টাকা জমার বিষয়টি চিন্তা করা হয়েছিল।হাবের অ্যাকাউন্টে টাকা জমার ব্যাপারে হাবের মহাসচিব শেখ আবদুল্লাহ জানিয়েছিলেন, এরই মধ্যে ৪০ হাজারের বেশি হজযাত্রী অতিরিক্ত হয়ে গেছে। ফলে যাতে কোনো ভুয়া নাম তালিকায় রেখে পরে রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ না থাকে সেটি এবার নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য সরকার হজযাত্রীদের পুরো টাকা জমার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাইছে। কিন্তু হাব নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা না হলে কিভাবে টাকা জমার ব্যাপারে ছাড়পত্র দেবে।জনাতে চাইলে হাবের সহসভাপতি ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, আমরা চেয়েছিলাম প্রকৃত হজযাত্রীরা যাতে হজে যেতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে। প্রথম দিকে কিছু এজেন্সির পক্ষ থেকেই হাবের অ্যাকাউন্টে টাকা জমার প্রস্তাব এসেছিল। পরে মতবিনিময় সভায় যখন আমরা দেখলাম বেশির ভাগ এজেন্সিই তাদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে টাকা জমা রাখার পক্ষে, তখন আমরা আমাদের চিন্তা থেকে সরে এসেছি। এখন এজেন্সিগুলো তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হজযাত্রীদের মোয়াল্লেম ফির বাইরে সর্বনিম্ন প্যাকেজের প্রায় দুই লাখ ৭৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে ব্যাংকের হিসাব বিবরণী নেবে। হাব সেই হিসাব বিবরণী সত্যায়ন করার পর হজ অফিসে সেই টাকা জমার কপি জমা দিতে হবে। এ কাজটি অবশ্যই আগামী ৩০ মে’র মধ্যে করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কেউ টাকা জমার বিষয়টি নিশ্চিত করতে না পারলে এ বছর তার আর হজে যাওয়া হবে না। ৩০ মে’র পর অনলাইনে হজযাত্রীদের বাকি টাকা প্রাপ্তির বিষয়টি এন্ট্রি করার পরই হজযাত্রী প্রতি প্রিলগ্রিম আইডি দেয়া হবে। যারা শুধু প্রিলগ্রিম আইডি পাবেন, তারাই হজে যাবেন।চলতি বছর সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট হজযাত্রী পাঠানোর কোটা এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার কোটা ১০ হাজার। বাকি ৯১ হাজার ৭৫৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন। এর মধ্যে গাইড বাদ দিয়ে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য ৮৮ হাজার ২০০ জনের কোটার নির্ধারণ করা হয়। গত ২৩ মার্চ থেকে প্রাক-নিবন্ধন শুরু হলে ২৮ মার্চের মধ্যেই বেসরকারি ব্যবস্থাপনার নির্ধারিত কোটা পূর্ণ হয়ে যায়। এরপর নিবন্ধন বন্ধ রাখা হলেও পরে হাবের অনুরোধে পরবর্তী বছরের জন্য অগ্রাধিকার তালিকায় স্থান পাবে এ শর্তে আবারো প্রাক-নিবন্ধন শুরু হয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলে গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত এক লাখ ৩৬ হাজার ৫২১ জনের প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিন হাজার ৭১২ জনের এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ৩২ হাজার ৮০৯ জন। এ হিসাবে এরই মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোটার অতিরিক্ত হজযাত্রী ৪৪ হাজার ৬০৯ জন। আগামী ৩০ মে পর্যন্ত প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম চলার কথা রয়েছে। – See more at:

 

         


বাংলাদেশ সময়: April 19, 2016 at 1:25 pm

জাতীয়-এর সর্বশেষ ২৪ খবর

Line
 
Must See Places In Paris
Free track counters
Thanks Dear Visitor
Hajjsangbad.com